BAG:
এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।

জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf

এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।

জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।

জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।

জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।

জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
<a
href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a3195612&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=509&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a3195612'
border='0' alt=''/></a>
মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত
দুই দিনে (রবি ও সোম) অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে। এ কারণে
আতঙ্কে দিন কাটছে ওই গ্রামবাসীর। এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।
জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
<a
href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a3195612&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=509&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a3195612'
border='0' alt=''/></a>
মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত
দুই দিনে (রবি ও সোম) অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে। এ কারণে
আতঙ্কে দিন কাটছে ওই গ্রামবাসীর। এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।
জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
<a
href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a3195612&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=509&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a3195612'
border='0' alt=''/></a>
মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত
দুই দিনে (রবি ও সোম) অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে। এ কারণে
আতঙ্কে দিন কাটছে ওই গ্রামবাসীর। এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।
জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
<a
href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a3195612&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=509&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a3195612'
border='0' alt=''/></a>
মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত
দুই দিনে (রবি ও সোম) অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে। এ কারণে
আতঙ্কে দিন কাটছে ওই গ্রামবাসীর। এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।
জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf
ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
<a
href='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/ck.php?n=a3195612&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE'
target='_blank'><img
src='http://ritsllc.com/ads/server/adserve/www/delivery/avw.php?zoneid=509&amp;cb=INSERT_RANDOM_NUMBER_HERE&amp;n=a3195612'
border='0' alt=''/></a>
মেহেরপুর: মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত
দুই দিনে (রবি ও সোম) অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে। এ কারণে
আতঙ্কে দিন কাটছে ওই গ্রামবাসীর। এদিকে, সাপের দংশনের ভয়ে গ্রামের অনেক লোকজন গ্রাম ছেড়ে পার্শ্ববর্তী আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় ওঝারা গ্রামের লোকজনকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
স্থানীয় আমঝুপি ইউনিয়নের সদস্য মিজানুর রহমান মিলন বাংলানিউজকে জানান, গত দুই দিনে এ গ্রামের অর্ধ শতাধিক নারী-পুরুষকে সাপে দংশন করেছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন- আজিমুদ্দীনের মেয়ে স্কুলছাত্রী জলি খাতুন, শামীম আহাম্মেদের স্ত্রী চুমকী খাতুন, আলাউদ্দীনের স্ত্রী কাকলী আক্তার, উজীর আলীর ছেলে হুদা, আফজাল হোসেনের স্ত্রী হুসনিয়ারা খাতুন, হুদুর ছেলে জশিম, মহিবুল ইসলামের স্ত্রী শম্পা খাতুন, বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতা খাতুন, তরিকুল ইসলামের ছেলে সমসের আলী, কাউছার আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার, আব্দুর রউফের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শফিকুলের স্ত্রী জীবন আরা, নিয়াজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান, মোমিন হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন, মুক্তার আলীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার, শহিদুল ইসলামের ছেলে জুয়েল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া আক্তার, আযম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, নজরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন, রমজান আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন, মরজেল হোসেনের ছেলে লিটন আহম্মেদ, আব্দুল হান্নানের ছেলে আশাদুল হক ও ইসরাফ আলীসহ আরো অনেকে।
জলি খাতুন জানান, রোববার বিকেলে তিনি রান্না করছিলেন এমন সময় একটি সাপের বাচ্চা এসে তাকে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওঝা আব্দুল মান্নানকে ডেকে এনে বিষ নামানো হয়।
গ্রামের আব্দুস সবুর, বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও শুকুর আলী জানান, সাপে কাটার ভয়ে এ গ্রামের অনেক লোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে বা তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে সেখানে সাপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ঘুমের সময় বিছানা ও পথে-ঘাটে চলার সময় সাপে দংশন করছে।
গ্রামের খলিল ও সাদেক আলী জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে প্রতিবছরই এসময় সাপের উপদ্রপ বাড়ে। দু’/পাঁচজনকে কামড় দেয়। কিন্তু এ বছর এর উপদ্রব অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বলেন, সাপে কাটা এসব রোগীদের জন্য গ্রামের স্থানীয় ওঝাঁরাই একমাত্র সম্বল।
স্থানীয় ওঝা আব্দুল হান্নান বাংলানিউজকে বলেন, ভাদ্র মাসের দিকে মা সাপ বাচ্চা দেয়। ছোট ছোট বাচ্চা সাপগুলো এসময় এলোমেলো খেলা করে বেড়ায়। তারা মানুষজনকে ভয় পায়না। তাই সামনে যাকে পাই তাকেই কামড় দেয়। এসব বাচ্চা সাপগুলো একটু বড় হলে তাদের ভেতরে মানুষের ভয় ঢুকে যায়। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যায়। সাপ আতঙ্কে ভীতু না হওয়ার জন্য তিনি গ্রামবাসীকে অনুরোধ করেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. ইসমাইল ফারুক বাংলানিউজকে জানান, মদনাডাঙ্গা গ্রামে সাপের কামড়ে অর্ধ শতাধিক আহত হওয়ার ঘটনায় মেহেরপুর স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি মেডিকেল টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। গ্রামের লোকজনকে সচেতন করা হয়েছে। স্থানীয় ওঝা দিয়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিলে রোগীর আঙ্গহানিসহ ভবিষ্যতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও জানান স্বাস্থ্য বিভাগের এ কর্মকর্তা।
তিনি জানান, এখন সাপে কাটা রোগীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এখন প্রচুর পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। সাপে কাটা রোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১২৪০ ঘণ্টা, আগস্ট ২৬, ২০১৪
- See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/318183.html#sthash.NxZw4mJ2.dpuf

No comments:
Post a Comment